আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক তৎপরতা মোকাবিলায় সৌদি আরবকে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্রও সামরিকভাবে যুক্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার খবর সামনে আসার পর এ সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস থেকে টেনেসিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র যোগ দিতে পারে। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ট্রাম্প বলেন, বিমানবন্দরে হামলার খবর তাঁরা অল্প সময় আগেই পেয়েছেন। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
এর আগে শনিবার সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ঘিরে হামলার খবর পাওয়া যায়। এতে কয়েকজন আহত হওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী আরেকটি হামলায় হতাহতের খবরও সামনে আসে। তবে এসব হামলার দায় এখনো হুথি বিদ্রোহীরা স্বীকার করেনি।
সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল অবকাঠামো লক্ষ্য করে চলমান হামলার অংশ হিসেবে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট ধরন ও এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানেও নজর
রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার পর ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযান নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার বিষয়ে এগোবেন না। নতুন পরিস্থিতিতে এ অবস্থানের পরিবর্তন হবে কি না, জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের বক্তব্যে সৌদি আরবের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নাকচ করা হয়নি। তবে ওয়াশিংটন এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ফলে রিয়াদে হামলার পর সৌদি আরবকে সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নজর রয়েছে।a
