← Back to Article
Asian News24-দৈনিক এশিয়ান নিউজ২৪

ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনে বিদেশের দূতাবাসগুলোতে আগাম ভোট শুরু

আন্তর্জাতিক • প্রতিবেদক: নিউজ ডেস্ক ।। • বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:১৯
৫ মিনিট পাঠ • ২৩ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসরাইলের আগামী ২৭ অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিদেশে অবস্থিত দেশটির দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্থানীয় সময় অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এর মধ্য দিয়ে ২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথম ভোট দিলেন বিদেশে কর্মরত ইসরাইলি কূটনৈতিক মিশনের কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদেশের কূটনৈতিক মিশনগুলোতে ভোটগ্রহণ প্রায় ৩০ ঘণ্টা ধরে চলবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সংশ্লিষ্ট দেশের স্থানীয় সময় অনুযায়ী দিনের নির্ধারিত সময়ে খোলা থাকবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ৯৯টি কূটনৈতিক মিশনে মোট ১০১টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। তবে বিদেশে ভোট দেওয়ার সুবিধা সাধারণ প্রবাসী ইসরাইলিদের জন্য উন্মুক্ত নয়। কেবল কূটনৈতিক প্রতিনিধি, মিশনের কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরাই এ সুযোগ পাচ্ছেন।

নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটনে অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাসে প্রথম ভোটগ্রহণ শুরু হয়। স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় সেখানে ভোটকেন্দ্র খোলা হয়। এর এক ঘণ্টা পর ফিজিতে অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাসেও ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

অন্যদিকে, ভোটগ্রহণের শেষ ধাপ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো ও লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত ইসরাইলি কনস্যুলেটগুলোতে। স্থানীয় সময় রাত ৮টায় সেখানে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

টাইমস অব ইসরাইলের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে ভোটগ্রহণ শেষ হলে ব্যালটগুলো ইসরাইলে পাঠানো হবে। পরে সেগুলো গণনার জন্য দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে নেওয়া হবে।

সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তার আভাস

নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন জনমত জরিপে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন শিবির কিংবা তাঁর বিরোধী জোট—কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে নাও পারে। ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে মোট আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন।

২০২২ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে নেতানিয়াহু ইসরাইলের বর্তমান সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর সরকারকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম কট্টর ডানপন্থি সরকার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

এদিকে, নেতানিয়াহু দুর্নীতি, ঘুষ গ্রহণ ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তিনটি পৃথক মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। পাশাপাশি গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। ২০২৪ সালে জারি হওয়া ওই পরোয়ানার সঙ্গে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ যুক্ত রয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু, টাইমস অব ইসরাইল