Skip to main content

জ্ঞানেশ কুমার পদে থাকলে নির্বাচনে অংশ নেওয়া অর্থহীন: অভিজিৎ দীপকে

�
• 2 min • 35 views

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার পদে বহাল থাকলে আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো অর্থ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্ব নিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সোমবার (৫ অক্টোবর) মহারাষ্ট্রের পুণেতে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের কর্মসূচিতে সংহতি জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন দীপকে।

তার অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নির্বাচন কতটা অবাধ ও সুষ্ঠু হবে, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। এমনকি নির্বাচনের ফলাফল আগেই নির্ধারিত হয়ে থাকে বলেও দাবি করেন তিনি।

দীপকে বলেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা এবং দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো অর্থ নেই। তার দাবি, এমন পরিস্থিতিতে ভোটের ফলাফল নিয়ে আগেই একটি ধারণা তৈরি হয়ে যায়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারতের কয়েকটি রাজ্যে বিজেপি এমন আসনে জয় পাচ্ছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তার শীর্ষ সময়েও দলটি জয়ী হয়নি। এ বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন

মহারাষ্ট্র লোকসেবা কমিশনের (এমপিএসসি) বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পুণেতে চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন চলছে। দীপকে ওই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মহারাষ্ট্র লোকসেবা কমিশনের পরীক্ষার্থী ও তাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিদের প্রতি তার সমর্থন রয়েছে। তার দাবি, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ২০ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

আন্দোলনকারীরা মহারাষ্ট্র লোকসেবা কমিশনের চেয়ারম্যানের পদত্যাগের পাশাপাশি প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

এর আগে ককরোচ জনতা পার্টি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলনের ঘোষণা দেয়। দলটি ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) নিয়েও আপত্তি তুলেছে। ২ অক্টোবর মুম্বাইয়ে কর্মসূচির পর ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিরোধী দল ও বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো অযোগ্য বা অবৈধভাবে থাকা নাম শনাক্ত করা। বিজেপিও নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

দীপকের সর্বশেষ মন্তব্যের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা বিজেপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Share the news

সর্বাধিক পঠিত

Link copied to clipboard!