Skip to main content

রাতের খাবারে নুডলস, সকালে একই পরিবারের পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার

�
• 2 min • 29 views

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন স্বামী-স্ত্রী ও তাঁদের তিন সন্তান। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে পরিবারের সবাই নুডলস খেয়েছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। খাবার খাওয়ার সঙ্গে তাঁদের মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

নিহতরা হলেন ৩৭ বছর বয়সী মহেশ, তাঁর ৩৫ বছর বয়সী স্ত্রী ললিতা এবং তাঁদের তিন সন্তান—১১ ও ৩ বছর বয়সী দুই ছেলে এবং ৭ বছর বয়সী এক মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে নুডলস খেয়ে ঘুমাতে যান। শনিবার সকালেও ঘরের কারও সাড়া না পেয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীরা ভেতরে গিয়ে তাঁদের বিছানায় নিথর অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, ফরেনসিক দল, অ্যাম্বুলেন্স ও খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তারা। গ্রেটার নয়ডার সহকারী পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার সিসোদিয়া জানান, পরিবারের সদস্যদের নিজ নিজ বিছানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

প্রাথমিকভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। বিষাক্ত কোনো পদার্থের উপস্থিতি ছিল কি না, তা পরীক্ষা করতে ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

খাবারের নমুনা পরীক্ষাগারে

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিহতদের বাড়ির সামনে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হন। শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে ঘটনাস্থলে যান জেওয়ারের বিধায়ক ধীরেন্দ্র সিং। তিনি বিষয়টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়কেও অবহিত করেছেন বলে জানান।

ধীরেন্দ্র সিংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো বিষাক্ত পদার্থ গ্রহণের কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খাবারের নমুনা জব্দ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষায় ক্ষতিকর বা বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট নুডলস প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে নুডলস খাওয়ার কারণেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো চূড়ান্ত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Share the news

সর্বাধিক পঠিত

Link copied to clipboard!