Skip to main content

২০২৭ সালে বাবা হচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন

�
• 2 min • 24 views

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সারোগেট মায়ের সহায়তায় প্রথম সন্তানের বাবা হতে যাচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন। ২০২৭ সালে তাঁদের সন্তান জন্ম নেওয়ার কথা রয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজেই এ সুখবর জানিয়েছেন ৩৯ বছর বয়সি এই প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গী আর্জেন্টিনার আন্তর্জাতিক হকি খেলোয়াড় নিকোলাস কিনান।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে রব জেটেন লিখেছেন, ‘খুব বিশেষ একজন আসছে। ২০২৭ সালে দেখা হবে, ছোট্ট সোনা।’ পোস্টের সঙ্গে শিশুর মাথা ও দুধের বোতলের ইমোজিও যুক্ত করেন তিনি।

সন্তান লাভের এই যাত্রায় সহায়তার জন্য ডিম্বাণু দাতা, সারোগেট মা এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জেটেন। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এই প্রক্রিয়া সম্ভব হতো না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে এই দম্পতির

রব জেটেন ও নিকোলাস কিনানের বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। চলতি গ্রীষ্মে তাঁদের বিয়ের পরিকল্পনা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে দেন তাঁরা।

এর আগে, জেটেনের দল ডি৬৬ অপ্রত্যাশিতভাবে নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি নেদারল্যান্ডসের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সি প্রধানমন্ত্রী হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বন্ধুদের সহায়তায় সন্তান লাভের উদ্যোগ

জেটেনের দল ডি৬৬ জানিয়েছে, সারোগেট মা ও ডিম্বাণু দাতা দুজনই এই দম্পতির ডাচ বন্ধু। তাঁদের নিজেদেরও সন্তান রয়েছে। কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য ছাড়াই তাঁরা জেটেন ও কিনানকে সন্তান লাভে সহায়তা করছেন।

নেদারল্যান্ডসে সারোগেসির জন্য অর্থ প্রদান আইনত নিষিদ্ধ। ডি৬৬-এর ভাষ্য অনুযায়ী, এই দম্পতির সন্তান ধারণের প্রক্রিয়াটি দেশটির প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান মেনেই সম্পন্ন হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসে আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) চিকিৎসাপদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।

সন্তানের জন্মের সময় ছুটিতে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

সন্তানের জন্মের সময় পরিবারের পাশে থাকতে কয়েক দিনের ছুটি নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে রব জেটেনের। তবে দীর্ঘমেয়াদি পিতৃত্বকালীন ছুটি নেওয়ার পরিকল্পনা তাঁর নেই বলে জানিয়েছে ডি৬৬।

২০২৭ সালে সন্তান জন্মের অপেক্ষায় থাকা এই দম্পতির জন্য খবরটি ব্যক্তিগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: প্রদত্ত প্রতিবেদনa

Share the news

সর্বাধিক পঠিত

Link copied to clipboard!