Skip to main content

জেএফকে বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে লক্ষ্য করে স্লোগান, আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা

�
• 2 min • 24 views

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাঁদের কয়েকজনকে ইউনূসের সামনে গিয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায়।

স্থানীয় সময় সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হুইলচেয়ারে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় এ ঘটনার মুখে পড়েন ড. ইউনূস। এ সময় তাঁর পাশে লাগেজ হাতে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাবিষয়ক (এসডিজি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী এবং যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ কয়েকজন ড. ইউনূসের সামনে গিয়ে দাঁড়ান। পরে তাঁকে হুইলচেয়ার ঘুরিয়ে টার্মিনালের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় কয়েকজনকে তাঁর পেছনে ছুটতে এবং চিৎকার করে বিভিন্ন অভিযোগ তুলতে শোনা যায়।

ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে ইংরেজিতে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে মানুষ হত্যা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগ তুলতে শোনা যায়। একই সঙ্গে দেশে গ্রেপ্তার ও পুলিশ হত্যার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এসব বক্তব্য ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগ; এগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

ঘটনা সম্পর্কে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের মিশনের কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

এদিকে, ১১ থেকে ১৩ অক্টোবর বার্লিনে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে ড. ইউনূসের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তাঁর সফর বাতিলের খবর পাওয়া যায়। ইউরোপপ্রবাসী কয়েকটি সংগঠন সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণ নিয়ে আপত্তি জানানোর পর এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি সামনে আসে। সম্মেলনের আয়োজকেরা আগে তাঁর অংশগ্রহণের কথা জানিয়েছিলেন; তবে সম্মেলন শুরুর আগে বক্তাদের তালিকায় তাঁর নাম আর দেখা যায়নি।

নিউইয়র্ক বিমানবন্দরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Share the news

সর্বাধিক পঠিত

Link copied to clipboard!