Skip to main content

দোকানে ডেকে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, কসবায় মামলা

�
• 2 min • 26 views

নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৫৫ বছর বয়সি এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে রোববার (২৫ অক্টোবর) কসবা থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. ইয়াসিন মিয়া। তিনি উপজেলার ৩ নম্বর বাদৈর ইউনিয়নের হাতুড়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা এবং তিন সন্তানের জনক। তিনি মৃত মাখু মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে রান্নার জন্য সয়াবিন তেল কিনতে গ্রামের আলামিনের দোকানে যায় শিশুটি। তেল নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ইয়াসিন মিয়া তাকে নিজের কাঠের দোকানে ডেকে নেন। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ঘটনার পর শিশুটির হাতে ২০ টাকা দিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য বলা হয় বলেও এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

বাড়িতে ফিরে শিশুটি তার মাকে ঘটনার কথা জানায়। পরে শিশুটির মা বিষয়টি তার স্বামীকে জানান।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, শুক্রবার রাতে গ্রামের পশ্চিমপাড়ার গাজীবাড়িতে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। সেখানে অভিযুক্তের স্বজন ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তবে সেই উদ্যোগে কোনো সমাধান হয়নি। পরে ক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্তের কাঠের দোকানে ভাঙচুর চালান।

অভিযুক্তের স্বজনের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে মামলা করতেও দেরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফল এখনো জানা যায়নি।

অভিযুক্তের ভাতিজা রবিউল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, অপরাধী যে-ই হোক, তারা আইন অনুযায়ী বিচার চান। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগের বিষয়ে তিনি জানান, অভিযুক্ত অভিযোগ অস্বীকার করায় বিষয়টি নিশ্চিত হতে তারা আলোচনায় বসেছিলেন। শিশুটির বক্তব্য জানার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, ইয়াসিন মিয়া জোরপূর্বক তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন। শিশুটির চাচিও জানান, ঘটনার পর শিশুটি তার মাকে বিষয়টি জানালে তাঁরা ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পারেন।

রোববার শিশুটিকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শায়লা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠান।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ রোববার যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিনহাজ।

Share the news

সর্বাধিক পঠিত

Link copied to clipboard!