নিজস্ব প্রতিবেদক
ফরিদপুরের একটি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামের সঙ্গে ওই বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে শিক্ষক নজরুল ইসলামের পরিচালিত একটি কোচিং সেন্টারের ভেতরে তাকে ওই ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
অভিভাবকদের দাবি, বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে। যুগের পর যুগ এ প্রতিষ্ঠান থেকে হাজারো শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। তবে সম্প্রতি শিক্ষাঙ্গনে কয়েকজন শিক্ষকের কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখা এবং শিক্ষার নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায় এমন ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হায়দার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নজরুল ইসলাম বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার আপত্তিকর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, ঘটনাটি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঘটেনি; বরং শিক্ষকের নিজের পরিচালিত একটি কোচিং সেন্টারে ঘটেছে। তবে একজন শিক্ষক ও ছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় তাকে শাস্তিমূলকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
